আমাদের ভারত, ৩ জুলাই: জোর করে ধর্মান্তকরণের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লির একাধিক জায়গায় হানা দিল এনফর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ধর্মান্তরের পেছনে রয়েছে বিদেশি অর্থ বলেও জানা গেছে। আর সেই কারণেই ইডি তদন্তে নেমেছে। ওয়াকিবহাল মহলের অনুমান সেবিও এই তদন্তে যুক্ত হতে পারে।
ইডির তরফে জানানো হয়েছে জোর করে ধর্মান্তকরণের জন্য বিদেশ থেকে কয়েক কোটি টাকা এসেছে। দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের ছটি জায়গায় হানা দিয়ে যে নথি ও তথ্য পাওয়া গেছে তাতে স্পষ্ট পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’য়ের থেকেও বেশ কিছু পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়েছে এই কাজ করার জন্য।
ইডির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তদন্ত করতে নেমে বেশ কিছু আপত্তিকর নথিপত্র পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত ওমর গৌতম ও তার সংগঠনের সদস্যরা দেশজুড়ে ধর্মান্তরিত করেছেন বহু মানুষকে। নথি থেকে বোঝা যাচ্ছে বেআইনি ধর্মান্তকরণের জন্য বিদেশ থেকে অর্থ এসেছিল। যেসব জায়গায় ইডি তল্লাশি চালিয়েছে তার মধ্যে দিল্লির জামিয়া নগরে ইসলামিক দাওয়া সেন্টার নামে একটি অফিস রয়েছে। অভিযুক্ত ওমর গৌতম সেখানেই থাকতেন। তার সঙ্গে মুফতি কাজি জাহাঙ্গির কাশিমের অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়।
লখনৌতে আল হাসান এডুকেশন অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এন্ড গাইডেন্স এডুকেশন অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামে এক সংগঠনের অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। এই সংগঠনের মাধ্যমে ওমর গৌতম বেআইনি ধর্মান্তরকরন করতেন। উত্তরপ্রদেশে পুলিশের এটিএস গতমাসে ওমর গৌতম তার সঙ্গী আলম কাসমিকে গ্রেপ্তার করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তাদের সংগঠন ইসলামি দাওয়া সেন্টারের সঙ্গে আইএসআইয়ের যোগ রয়েছে। এটিএসের তদন্তের ভিত্তিতে টাকা তছরূপ প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলা সূত্র ধরেই ইডি তদন্তে নামে।

