উচ্চমাধ্যমিকে কোচবিহারের চার কৃতি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার, ১৭ জুলাই: উচ্চমাধ্যমিকে কোনও মেধা প্রকাশ করা হয়নি, তবে সম্ভাব্য মেধাতালিকায় কোচবিহারের বেশ কয়েকজন রয়েছেন। জেলায় সর্বোচ্চ নম্বর ৪৯৬ পেয়েছে কোচবিহার জেনকিন্স স্কুলের ছাত্র কৃষ্টিধর পন্ডিত। উচ্চমাধ্যমিকের মেধাতালিকায় সম্ভাব্য চতুর্থ কৃষ্টিধর ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করতে চায় । ৪৯৬ নম্বর পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই খুশি সে। তবে সব পরীক্ষা দিয়ে সে যদি মেধা তালিকায় স্থান পেত তবে আরো বেশি খুশি হতো বলে সে জানিয়েছে। তার বাবা কৃষ্ণেন্দু পন্ডিত পেশায় ইঞ্জিনিয়ার , মা কৃষ্ণা দেবনাথ স্বাস্থ্যকর্মী। তার মা বলেন ছোটবেলা থেকেই বাবার কাজের দিকে ওর খুব ঝোঁক ছিল। বাবার ইঞ্জিনিয়ারিং এর বই পত্র নিয়ে সারাদিন পড়ে থাকতো। মাধ্যমিকে মেধাতালিকায় স্থান না পাওয়ায় একটা জেদ চেপে বসেছিল তার। তবে এই সাফল্যের পিছনে স্কুল এবং প্রাইভেট শিক্ষকদের অবদান অনস্বীকার্য বলে জানিয়েছেন সে।
এবার সুনীতি একাডেমির ছাত্রী সঞ্জীবনী দেবনাথ ৪৯৩ নম্বর পেয়েছে। মেধাতালিকায় সম্ভাব্য সপ্তম, মাধ্যমিকে রাজ্যে প্রথম হয়েছিল সঞ্জীবনী। স্বাভাবিকভাবেই মেধাতালিকায় ওপরের দিকে থাকার আশা ছিল তার। কিন্তু তিনটি পরীক্ষা না হওয়ায় আশানুরূপ নম্বর পায়নি বলে জানিয়েছে সে। ভবিষ্যতে জুলজি নিয়ে পড়তে চায় সে।
একই নম্বর পেয়েছে কোচবিহার মনীন্দ্রনাথ হাই স্কুলের ছাত্রী মহাশ্বেতা হোমরায়। মাধ্যমিকে মহাশ্বেতা রাজ্যে সপ্তম হয়েছিল। পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করতে চায় সে। ভবিষ্যতে গবেষণার ইচ্ছে রয়েছে তার।
৪৯৩ নম্বর পেয়ে সম্ভাব্য মেধাতালিকায় কোচবিহারের দিনহাটা শনি দেবী হাই স্কুলের আরেক ছাত্র স্নেহাশীষ রায়। এরা তিনজনেই মেধাতালিকায় সম্ভাব্য সপ্তম।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here