সোদপুরের মহেন্দ্র নগর নিবাসী চক্রবর্তী পরিবারের সুপ্রাচীন দেবী মনসা পূজার ইতিহাস

অংশুমান গঙ্গোপাধ্যায়
আমাদের ভারত, ১৮ আগস্ট: মনসামঙ্গল বা পদ্মাপুরাণ বঙ্গের সুপরিচিত গ্রন্থ। যখন জয়দেব – বিদ্যাপতি – চণ্ডীদাসের কলকাকলীতে পশ্চিমবঙ্গ মুখরিত, তখন কবি শ্রী বিজয় গুপ্ত ভক্তি ব্যাকুল কণ্ঠে দেবী মনসার পূজা প্রচার কাহিনী বর্ণনা করে পূর্ব বঙ্গ প্লাবিত করেন।

মা মনসা নতুন দেবতা নন। পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের ইতিহাসে সর্প পূজার রীতি প্রচলিত দেখতে পাওয়া যায়। ভারতবর্ষেও বৈদিক যুগ থেকে আরম্ভ করে বর্তমান সময় পর্যন্ত নানা আকারে এই পুজো হয়ে আসছে। যখন শ্রী শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু প্রেম ভক্তির প্লাবন আনয়ন করেন, তখনও বঙ্গের প্রায় সর্বত্র মনসা বা বিষহরী পূজার প্রচলন ছিল। স্মার্ত ও পৌরাণিকগণ সংস্কৃত মন্ত্র দ্বারা এই দেবী মনসার পূজাপদ্ধতি সংহিতাবদ্ধ করলেও বৌদ্ধদের অনুকরণে দেবতার লীলা কাহিনী জনসাধারণের বোধগম্য করে তোলার জন্য প্রচলিত ভাষায় গাওয়ার ব্যবস্থা হয়। এইভাবেই মঙ্গল – সঙ্গীতের উৎপত্তি।

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, পদ্মা পুরাণ, দেবী ভাগবত, মহাভারতের আদি পর্ব ও ভবিষ্য পুরাণে নাগমাতা মনসার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। মনসামঙ্গল (পদ্মা পুরাণ) মহাকাব্য। এই গ্রন্থ চণ্ডী, গীতা, বিরাট, চৈতন্যচরিতামৃতের মত ঢাকা, বাখরগঞ্জ, ত্রিপুরা এবং বর্ধমান প্রভৃতি প্রাচীন স্থানে অতি মান্য ও সমাদৃত। এই পুস্তক তালপত্রে এবং তুলট কাগজে লিপিবদ্ধ করে ভক্ত কুল একত্রে তাহা পাঠ ও শ্রবণ করতেন। গ্রন্থ খানি দেবলীলাখ্যান – পরিপূর্ণ গীতিকাব্য। হিন্দু সন্তানগণ মঙ্গল কামনায় মানসিক করে গান গেয়ে থাকেন। শ্রাবণ মাসের ১লা তারিখ হতে শেষ তারিখ পর্যন্ত এক মাস কাল অনেক হিন্দুর গৃহে মনসামঙ্গল পাঠ হয়ে থাকে। অনেক স্থলে এই গ্রন্থ বিগ্রহের ন্যায় অর্চিত হয়।

কথিত আছে দেবীর আদেশ অনুসারে কবি বিজয় গুপ্ত মনসা মঙ্গল রচনা করেন। বিজয় গুপ্ত স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে মনসা মঙ্গল রচনা করেছিলেন। মহাত্মা বিজয় গুপ্ত মনসা দেবীর কৃপায় তাঁর পাঁচালী লিখতে আদিষ্ট হয়ে পীষ্ঠস্থানস্থিত প্রকাণ্ড ছাতিম বৃক্ষের তলে বসে পাঁচালী প্রস্তুত করেন। পাঁচালী লেখা হলে কলাপ ব্যাকরণের পঞ্জী টীকাকার মাতুল ত্রিলোচন দাস কবীন্দ্রকে সংশোধন করতে দিয়েছিলেন। ত্রিলোচন দাস পাঁচালী সংশোধন আরম্ভ করলে, তাঁদের পুরোহিত গৈলাস্থিত ডিংসাই বংশের আদি পুরুষ রামটুরি চক্রবর্তীর এক কন্যা এসে কবীন্দ্র কী করছেন তা জিজ্ঞাসা করলেন। কবীন্দ্র উত্তর দিলেন — “বিজয় গুপ্তের মনসার পাঁচালী সংশোধন করিতেছি।” কন্যা বললেন — “উহা বিজয় গুপ্ত যাহা করিয়াছেন তাহাই উত্তম হইয়াছে ; আপনার আর হস্তক্ষেপ করার প্রয়োজন নাই।” এই কথা বলে বালিকা বাড়ির মধ্যে চলে এলেন। তথাকথিত অশিক্ষিতা কন্যার এই রকম কথা – বার্তা শুনে কবীন্দ্র মহাশয় মনে মনে পর্যালোচনা করলেন এবং কারণ জানার জন্য তাকে ডাকলেন। কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া গেলো না। অনুসন্ধানে জানলেন যে পুরোহিতের একমাত্র কন্যা ৪ – ৫ মাস তার শ্বশুরালয় গেছে। ত্রিলোচন দাস বুঝলেন যে এ সমস্তই দেবী মনসার কার্য। তাই তিনি ভীত হয়ে পাঁচালী সংশোধনে বিরত হলেন, এবং উহাই অতি উৎকৃষ্ট হয়েছে বলে বিজয় গুপ্তকে প্রত্যর্পণ করলেন। কবি বিজয় গুপ্ত ছিলেন সুলতান হুসেন শাহের সমসাময়িক। তাই ১৪৯৪ হতে ১৫২৩ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে মনসা মঙ্গল রচিত হয় বলে পণ্ডিতগণ অনুমান করেন।

কবি বিজয় গুপ্তের জন্মভূমি – পূর্ববঙ্গের বরিশাল জেলার অন্তর্গত গৈলা – ফুল্লশ্রী, অন্য নাম — মানসী। মনসা কল্পিত স্থান বলে এর নাম মানসী হয়েছে। ভগবান শিবের কাশী, শ্রীকৃষ্ণের বৃন্দাবনের মত মানসীও দেবী মনসার প্রিয় স্থান। এইখানে দেবীর ঘট স্থাপিত থাকে। বণিকেরা ইষ্ট সাধন মানসে সেখানে পুজো দিতেন। বিষহরীর পূজাপ্রচারার্থে তাঁর সহচরী শিবের কন্যা নেতা তাঁকে সেই স্থানে আনেন। এই স্থান দেবীর মনোজ্ঞ এবং এখান থেকেই তাঁর পূজার প্রচার হয়। এই প্রাচীন জনপদটি অন্যান্য তীর্থের মত “মনসা তীর্থ” বলে পরিচিত। বহু শতাব্দী পর্যন্ত এই স্থান বহু লোক পরিপূর্ণ ছিল। প্রাচীন মানসী, ফুল্লশ্রী এবং গৈলা এক পর্য্যায়ক। এখানে চার বেদীয় ব্রাহ্মণ, বৈদ্য ও কায়স্থের বসতি ছিল বলে ইতিহাসের নানা সূত্রে জানা যায়, এবং এই স্থান — “পণ্ডিত নগর” বলে বিখ্যাত ছিল। ত্রিলোচন দাস কবীন্দ্র , জানকীনাথ দাস কবিকণ্ঠহার , ভবানীনাথ দাস সার্বভৌম — প্রভৃতি বিদ্বান ব্যক্তি যে স্থানে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন, সেই স্থানের নাম — পণ্ডিত নগর হওয়া যথার্থ। বর্তমান পাশ্চাত্য শিক্ষাতেও গৈলা — বাখরগঞ্জের মধ্যে সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করেছে। এখানে “কবিসাগর” , ” কবীন্দ্রের পাড়”, এবং “রাজপণ্ডিতের বাড়ী” নামে কয়েক টি প্রাচীন স্থান আছে।

*মনসালয় এবং কবির বসত বাড়ী:*

এই বাড়িটি অত্যন্ত প্রাচীন ; কবি বিজয় গুপ্তের মনসা বাড়ী বলে সর্বসাধারণের কাছে পরিচিত। এখানে পদ্ম ফুলে সুশোভিত বহু বিস্তীর্ণ এক প্রাচীন সরোবর ছিল। সরোবরের পূর্ব তীরে মনসা দেবীর মন্দির প্রতিষ্ঠিত। ভক্ত সাধক গুরুপ্রসাদ দাসের আমলে আনুমানিক বাংলা ১২৫৪ সনে এই মন্দির প্রথম নির্মিত হয়। উক্ত মহাত্মার মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র শ্রীযুক্ত রামচন্দ্রদাস ঐ মন্দির পুনঃসংস্কার করেন। মনসা দেবীর মূর্তি মৃত্তিকা নির্মিত ছিল। পরবর্তী কালে শ্রী নীলকমল দাস মহাশয় একটি পিতলের মূর্তি তৈরী করিয়ে দিয়েছিলেন। এই দেবী কবি বিজয় গুপ্তের আরাধ্যা এবং তাঁর দ্বারা সংস্থাপিতা বলে এখনও প্রসিদ্ধ। প্রায় ৫০০ বছর হয়ে গেছে, কিন্তু ভক্ত বিজয় গুপ্তের কীর্তির বিন্দু মাত্র হানি হয়নি। এখনও কবি বিজয় গুপ্তের স্থাপিতা মনসা দেবী প্রত্যক্ষ দেবতা বলে ভক্তির সাথে পূজিতা হয়ে থাকেন। বিভিন্ন স্থান হতে অসংখ্য নারী – পুরুষ নানা রোগ – মুক্তি বা শ্রীবৃদ্ধি কামনায় এই স্থানে মনসা দেবীর পূজায় সমাগত হয়ে থাকেন। এই উপলক্ষ্যে বহু লোকের সমাগম হয় এবং তখন সরোবরের ওপর তিন পাড়ে মেলা হয়ে থাকে। দেবী মনসার ঘট দেবশিল্পী বিশ্বকর্মা নির্মিত বলে প্রসিদ্ধ। জনশ্রুতি অনুযায়ী, স্বয়ং দেবাদিদেব মহাদেব ব্রাহ্মণ বেশ ধারণ করে ঐ ঘট মর্ত্যে নিয়ে আসেন। লাটিক নামক এক চণ্ডাল ঐ ঘট পান। তাঁর বংশধরদের বিষহরীর সন্তান বলে। মনসালয়ের অনতিদূরে তাদের বসতি আছে। কালক্রমে ঐ ঘট মনসাকুণ্ডে ( উপরোক্ত সরোবরে ) অন্তর্হিত হয়। কথিত আছে কিছু দিন পরে ৺গাই গোবর্ধন আচার্য্য নামে জনৈক ব্রাহ্মণ এখানে পূজার্চনা করেছিলেন, তিনি লক্ষ্মণ সেনের সভাসদ ছিলেন। এর কিছু দিনে পরে বিক্রমপুরের অন্তঃপাতী ইচ্ছাপুরা গ্রাম নিবাসী, পরবর্তী কালে গৈলা নিবাসী বঙ্গবাস ব্রাহ্মণদের পূর্ব পুরুষ যজ্ঞেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায় নামক জনৈক ব্রাহ্মণ ব্যাধিগ্রস্ত হয়ে এখানে দেবী মনসার অর্চনা করেন।

এর পর কবি বিজয় গুপ্ত আবির্ভূত হন। বিজয় গুপ্তের তিরোধানের পর ঐ ঘট আবার কিছু কালের জন্য অন্তর্হিত হয়। পরবর্তী লোকেরা পীঠস্থানে ঘট স্থাপন করে পুজো দিতেন। বিজয় গুপ্তের প্রায় ২০০ বছর পরে ভবদাস বংশোদ্ভূত প্রসিদ্ধ রায় কাশীনাথ দাস মজুমদারের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র কৃষ্ণকিঙ্কর দাস দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হন। ঐ সময়ে ডিংসাই বংশোদ্ভূত শ্রী কালীশঙ্কর চক্রবর্তী (রামটুরি চক্রবর্তীর বংশের উত্তর পুরুষ) , দুই সেন বংশোদ্ভূত শ্রী সদাশিব সেন ও শিকারপুর নিবাসী শ্রী কমলকৃষ্ণ তর্কভূষণ — এই তিন জন এক সময়ে স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে কৃষ্ণকিঙ্কর দাসকে জ্ঞাপন করেন এবং কালীশঙ্কর চক্রবর্তী কুণ্ডে অবতরণ করে ঘট উত্তোলন করেন। কৃষ্ণকিঙ্কর দাস ঐ ঘট স্থাপন এবং অর্চনা দ্বারা সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করেন। তদবধি ঐ ঘট অর্চিত হয়ে আসছে। এর পর ১৭৯০ শকাব্দে মহাত্মা গুরুপ্রসাদ প্রাদুর্ভূত হন। দেবী মনসার কৃপায় ইনি দুরারোগ্য ক্ষত রোগ হতে মুক্ত হয়ে বাকসিদ্ধ লাভ করেছিলেন। দেবী মনসার আদেশে প্রতিদিন নানা রকম দুরারোগ্য রোগের ঔষধ দিতেন। ওনার ঔষধে অনেকেই আরোগ্য লাভ করেছিলেন। দেবী মনসার কুণ্ডের অনতিদূরে দক্ষিণ পাড়ের পশ্চিমাংশে কবি বিজয় গুপ্তের বসত বাড়ীর ভগ্নাবশেষ এখনও বর্তমান।

দেশভাগের পরবর্তীকালে, ইংরাজী ১৯৪৭ সনের পরবর্তী পর্যায়ে ডিংসাই বংশোদ্ভূত শ্রী রামটুরি চক্রবর্তী মহাশয়ের বংশের অষ্টম পুরুষ স্বর্গীয় শ্রী পূর্ণচন্দ্র চক্রবর্তী মহাশয় এবং তাঁর খুড়তুতো ভাই স্বর্গীয় শ্রী সুরেন চক্রবর্তী মহাশয় পূর্ববঙ্গ থেকে চলে আসেন পশ্চিমবঙ্গে। বৌবাজারে শশী ভূষণ দে স্ট্রীটে এবং পরবর্তী কালে উত্তর ২৪ পরগণা জেলার কাঁচরাপাড়ায় তাঁরা বসবাস শুরু করেন। শ্রী পূর্ণচন্দ্র চক্রবর্তী পেশায় ছিলেন বসুমতী পত্রিকার কর্মী। বৌবাজার এবং কাঁচরাপাড়ায় অবস্থানকালে শ্রী পূর্ণচন্দ্র চক্রবর্তী , তাঁর স্ত্রী শ্রীমতী শিশুবালা দেবী, এবং তাঁর ভাই শ্রী সুরেন চক্রবর্তী পূর্ববঙ্গের মতই সব আচারাদি অনুসরণ করে দেবী মনসার পূজা পদ্ধতি অব্যাহত রাখেন।

শ্রী পূর্ণচন্দ্র চক্রবর্তী মহাশয় ও শ্রীমতী শিশুবালা দেবীর ৩ জন পুত্র সন্তান বর্তমান — শ্রী তারকেশ্বর চক্রবর্তী, শ্রী নকুলেশ্বর চক্রবর্তী, এবং শ্রী সর্বেশ্বর চক্রবর্তী। ইংরাজী ১৯৬২ সালে শ্রী পূর্ণচন্দ্র চক্রবর্তীর সন্তান এবং শ্রী রামটুরি চক্রবর্তীর বংশের নবম পুরুষ শ্রী সর্বেশ্বর চক্রবর্তী মহাশয় অধুনা উত্তর ২৪ পরগণা জেলার পানিহাটী পৌর এলাকার অন্তর্গত সোদপুরের মহেন্দ্র নগর অঞ্চলে স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করেন। ঐ বছরের ২০ ফাল্গুন তারিখে শ্রী সর্বেশ্বর চক্রবর্তী মহাশয় মহেন্দ্র নগরে তাঁর বাসগৃহে (বাড়ির নাম — মনসালয়) দেবী মনসার মন্দির স্থাপন করেন। সেই থেকে এই ২০২২ সাল অবধি প্রতি বছর ২০ ফাল্গুন তারিখে দেবী মনসার মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে দেবী মনসার পূজার্চনা এবং গোটা শ্রাবণ মাস জুড়ে মনসা মঙ্গল পাঠ, বিভিন্ন ভক্ত পরিবারের মঙ্গল কামনায় মানসিক ব্রত করে মনসা মঙ্গল গীতিকাব্য আধারিত গান হয়ে থাকে। চলিত ভাষায় ঐ গান কে “রয়ানী” বলে। শ্রাবণ মাসের সংক্রান্তিতে দেবী মনসার বিশেষ পূজার আয়োজন হয়ে থাকে। এই পূজা উপলক্ষ্যে সর্বেশ্বর বাবুর বাসগৃহ মনসালয়ে বহু ভক্তের সমাগম হয়ে থাকে, এবং তাঁরা পূজার প্রসাদ গ্রহণ করেন। দেবীর পূজার পৌরোহিত্য করেন শ্রী সর্বেশ্বর বাবু স্বয়ং। তাঁর বয়স বর্তমানে – ৭৮ বৎসর। গতকাল ৩১ শ্রাবণ তারিখে মহেন্দ্র নগরে তাঁর উপরোক্ত নিবাসে দেবী মনসার যথাবিধ পূজার্চনা অনুষ্ঠিত হয়, এবং কবি বিজয় গুপ্তের বংশ ধর গণ এই বছর এই পূজায় অংশ গ্রহণ করেন, এবং দেবীর পূজার প্রসাদ গ্রহণ করেন। স্থানীয় ভক্তবৃন্দের কাছে শ্রী সর্বেশ্বর চক্রবর্তীর গৃহ মন্দিরে স্থাপিতা দেবী মনসা সদাজাগ্রত। দেবী মনসার একনিষ্ঠ ভক্ত সর্বেশ্বর বাবু উপস্থিত ভক্তবৃন্দদের সাথে সপরিবারে গতকাল পূজা এবং সন্ধ্যারতি শেষে দেবীর কাছে সমগ্র জগৎ এবং মানব সমাজের সার্বিক কল্যাণ প্রার্থনা করেন।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here