যেদেশে সেক্স ট্যুরিজমের রমরমা ব্যবসা

আমাদের ভারত, ১৩ মে: সেক্স ট্যুরিজমের কথা শুনে অনেকেই হয়তো ভ্রু কুঁচকাবেন। কিন্তু বাস্তব সত্য হল অনেক দেশেই পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যৌনতাকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে সেইসব দেশে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। দেহব্যবসার জন্য একাধিক দেশের অর্থনীতি গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। অনেক দেশই তাই এখন সেক্স ট্যুরিজমের দিকে ঝুঁকছে।

বিশ্বের পাঁচটি দেশ ইতিমধ্যেই পর্যটক টানতে সেক্স ট্যুরজম চালু করেছে। বহুদিন ধরেই এজন্য পর্যটকদের অন্যতম জনপ্রিয় জায়গা থাইল্যান্ড। সেক্স ট্যুরিজম এখানে সাধারণ ব্যাপার। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকরা সেখানে অবাধে যৌনতা ভোগ করেন। অনেক সময়ই বিশ্বের অন্যদেশ থেকে যৌনকর্মীরাও এখানে আসেন। থাইল্যান্ডে এমন অনেক জায়গা যা শুধুমাত্র যৌনতাকে কেন্দ্র করে সেজে উঠেছে। এখানকার রঙিন রাত উদ্দামতায় মজার হাতছানি দেয় পর্যটকদের। এখানকার ম্যাসেজ পার্লার, স্পা ও নাইটক্লাবে চলে অবাধ যৌনতা। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরই সেক্স ট্যুরিজমের রাস্তা বেছে নেয় থাইল্যান্ড। আর এর ফলে হু হু করে বাড়তে থাকে সেদেশের অর্থনীতি।

দিয়েগো মারাদোনা ও লিওনেল মেসির নাম উচ্চারণ করলেই ভেসে ওঠে আর্জেন্টিনা। এই আর্জেন্টিনাও শুধু ফুটবলপ্রেমী হিসেবে নয়, সেক্স ট্যুরিজমের জন্যও বিখ্যাত। আর্জেন্টিনাতে সমকামিতাও বৈধ। ফলে আর্জেন্টিনায় সমকামী দেহ ব্যবসায়ীদেরও চাহিদা তুঙ্গে। সরকারের তরফেও সমকামী পর্যটকদের আকর্ষণ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেক্স ট্যুরিজমের কারণে বর্তমানে আর্জেন্টিনার অর্থনীতি বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। এ দেশে যৌন ব্যবসাও বৈধ।

বুলগেরিয়াকে যৌন পর্যটনের পীঠস্থান বলা হয়। শোনা যায় বুলগেরিয়ায় পর্যটকরা যান শুধুমাত্র সানি বিচ রিসর্টের জন্য। সেখানকার সানি বিচ রিসর্টের সমুদ্র সৈকতে প্রতিদিন হাজার খানেক যৌনকর্মী আসে। পর্যটকদের পাশাপাশি অন্যদেশ থেকেও নাকি যৌনকর্মীরা সেখানে যান। বিচের মধ্যেই চলে উদ্দাম যৌনতা। আর রাতে তা চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। ইউরোপে অনেক দেশেই আছে যেখানে যৌনতা নিয়ে কোনও ছুঁৎমার্গ নেই। কিন্তু বুলগেরিয়া যেন অন্য জগৎ। এই দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও অসাধারণ। তার সঙ্গে সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলেছে যৌনতা। এই দেশে ঘোরার খরচও তুলনামূলক ভাবে কম। ফলে পর্যটকদের কাছে এই দেশ অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই দেশের সোসুয়া ও বোকা চিকা নামের দুটি শহর সেক্স ট্যুরিজমের জন্য বিখ্যাত। এখানকার রাস্তাঘাটেও চলে অবাধ ঘনিষ্ঠতা। এছাড়াও পান্তাকানা এবং পুয়ের্তো প্লাটার সহ একাধিক জায়গাতেও চলে অবাধ যৌনতা। এই দেশকে বলা হয় দেহব্যবসার স্বর্গরাজ্য। শুধুমাত্র যৌনতাকে কেন্দ্র করে বছরে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে বুলগেরিয়া।

যৌনতার ক্ষেত্র স্পেন–ও কম যায় না।স্পেনকে পর্ন ইন্ডাস্ট্রির রাজধানী বলা হয়। এখানে সবচেয়ে বেশি পর্নোগ্রাফির শুটিং হয়। এখানে প্রকাশ্যে সেক্স পার্টিও হয়। এর নাম সেক্স রুলে। সেক্স এখানে জুয়ার মতো। পুরুষ ও নারী থাকেন অনেকজন। তবে, সাবধান! এইসব যৌনকর্মীদের মধ্যে কারওর শরীরে এইডস লুকিয়ে থাকতে পারে। অতএব এর থেকে সাবধান থাকা বাঞ্ছনীয়।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here