৩৭০ ধারা রদের পরেও জম্মু-কাশ্মীরে জমি কেনায় নিয়ন্ত্রণ থাকুক, চাইছে রাজ্য বিজেপি

৩৭০ ধারা রদের পরেও জম্মু-কাশ্মীরে জমি কেনায় নিয়ন্ত্রণ থাকুক, চাইছে রাজ্য বিজেপি

আমাদের ভারত,১১ আগস্ট: মোদী সরকারের চটজলদি সিদ্ধান্তে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি ঘটানো হয়েছে। আর এই ৩৭০ ধারা রদ হতেই জম্মু-কাশ্মীর হারিয়েছে বিশেষ রাজ্যের তকমা। আ‌র নিয়ম মাফিক এর সাথেই কাশ্মীরে জমি কেনার ওপর যে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল তাও উঠে গেছে। কিন্তু এত কিছুর পরেও কাশ্মীরের জমি কেনার বিষয়ে নিয়ন্ত্রণের দাবি তুলেছে ওই রাজ্যেরই বিজেপি শাখা। জমি কেনার বিষয়ে তারা হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের মতোই সেখানেও জমি আইন তৈরির দাবি জানিয়েছেন।

৩৫-এ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শুধুমাত্র জম্মু-কাশ্মীরের স্থায়ী বাসিন্দারাই জমি কিনতে পারতেন। কিন্তু রাজ্যের বিশেষ তকমা উঠে যেতেই উঠে গেছে ৩৫-এ অনুচ্ছেদও। ফলে বিজেপির ওই রাজ্যের সভাপতি রবীন্দ্র রায়না বলেছেন, বিশেষ মর্যাদার লোপ পেলেও,যে কেউ এই রাজ্যে জমি কিনতে পারবেন, এমনটা ভাবা ঠিক নয়। এই রাজ্যে নির্দিষ্ট সময় ধরে বাস করছেন এমন ব্যক্তি সেখানে জমি কেনার বা চাকরির সুযোগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য হিমাচল প্রদেশে সে রাজ্য সরকারের অনুমতি ছাড়া বাইরের কেউ সেখানে কৃষি জমি কিনতে পারেন না। উত্তরাখণ্ড বাইরের কেউ সর্বোচ্চ আড়াইশো বর্গমিটার পর্যন্তই কৃষি জমি কিনতে পারে। এমনকি উত্তর পূর্ব রাজ্যগুলিতে জমি কেনার ক্ষেত্রে এই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ঠিক একই ধরনের নিয়ন্ত্রণ জম্মু-কাশ্মীরেও বজায় থাকুক চাইছেন জম্মু কাশ্মীরের বিজেপি শাখা।

বিজেপির আর এক রাজ্য নেতা নরেন্দ্র গুপ্তর কথা অনুযায়ী,বকরওয়াল, বাল্মিকী, গুর্জর জনজাতির অধিকার রক্ষা করা হবে। তার দাবি বিরোধীরা অকারণে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন। তিনি বলেন,আগে জমির মালিকানা কিছু প্রভাবশালীদের হস্তগত ছিল। এখন সাধারন স্থানীয় বাসিন্দারা জমি কেনার সুযোগ পাবেন। রাজ্যের মাত্র ৫ থেকে ৬ শতাংশ মানুষ সরকারি চাকরি করেন রাজ্যে। কিন্তু বিধি নিষেধ উঠে যাওয়ায় এবার লগ্নি হবে রাজ্যে আরও কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seven − five =