নাম না করে তৃণমূল বিধায়ক অসীমা পাত্রকে কটাক্ষ লকেটের

আমাদের ভারত, হুগলী, ১৪ জুন: ধনিয়াখালীর যিনি বিধায়ক আছেন তাঁর একবার শিক্ষা হয়ে গেছে লোকসভাতে। মানুষ বাইরে বেরিয়ে ভোট দিয়েছে। ২০২১- এ ওনাকে আর দেখাই যাবে না। নাম না করে তৃণমূল বিধায়ক অসীমা পাত্রকে কটাক্ষ বিজেপি সাংসদ লকেটের। মিথ্যাবাদী নাটুকে সাংসদ লকেট ২০২১ এর পর আর ঢুকতেই পারবে না পাল্টা জবাব তৃণমূল বিধায়ক অসীমা পাত্রের।

এদিন ধনিয়াখালির মদন মোহন তলায় স্থানীয় বিজেপি নেতা অজয় কৈরীর উদ্যোগে আয়োজন করা হয় রক্তদান শিবিরের। এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত হন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিজেপি নেতা রাজ কমল পাঠক এবং বিজেপির হুগলী সাংগঠনিক জেলা সভাপতি গৌতম চ্যাটার্জি। রক্তদান শিবিরের পাশাপাশি বিজেপিতে যোগদান কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়। রাজ্য বিজেপি নেতা নেত্রীদের হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন প্রায় দুশ জন তৃণমূল কর্মী।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লকেট বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী অসীমা পাত্রের নাম না করে তিনি আরো বলেন, এখানকার যিনি বিধায়ক আছেন তাঁর একবার শিক্ষা হয়ে গেছে লোকসভাতে মানুষ বাইরে বেরিয়ে ভোট দিয়েছে। ২০২১ এ ওনাকে আর দেখাই যাবে না। কিছু দিন আগেই ধনিয়াখালীতে দলীয় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তোলেন, এলাকার এমপিকে এলাকায় আর দেখাই যায় না তাঁর উত্তরে আজ লকেট বলেন, মানুষের জন্য এত কাজ করছি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় হয়তো তাঁর দৃষ্টি শক্তি আস্তে আস্তে হারিয়ে ফেলছেন তাঁর মাথাও কাজ করছে না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যের পরিকাঠামো উন্নত করার জন্য এক কোটি টাকা দিয়েছি সেই টাকায় কি কাজ হবে
ডিএম এখনো জানাতে পারেননি।

লকেটের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেন ধনিয়াখালীর বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী অসীমা পাত্র। তিনি বলেন, সাংসদ একজন মিথ্যাবাদী নাটুকে। তাঁর মিথ্যা হুগলী লোকসভার মানুষ বুঝে গেছে কারণ কোভিড ১৯ এ মানুষ কেমন আছে চার মাস হতে চলল একবারও খোঁজ নেননি এবং আমফান ঘূর্ণি ঝড়ে মানুষের পাশে দাঁড়াননি। উনি একজন মিথ্যাবাদী নাটুকে সাংসদ কেউ বিপদে পড়লে তার পাশে দাঁড়ান না। ২০২১ এর কথা এখনই বলবো না তবে ধনিয়াখালী সহ হুগলী লোকসভার মানুষ বুঝতে পেরেছেন খাল কেটে কুমির এনেছি। তিনি আরো বলেন, সিপিএমের ভোটে ক্ষমতায় এসেছে সাংসদ। দু একজন ধান্দাবাজ ছাড়া কেউ বিজেপি তে থাকবে না।সিপিএমের দশ জন জয়েন করলে দুশো জন বলছে। যারা ভুল বুঝেছিল তারা দলে দলে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছে। ওনার মাথা খারাপ হয়ে গেছে উনি ২০১৯ এও ধনিয়াখালীতে জিততে পারেনি আর ২০২১এও পারবে না।দিল্লির সরকার যেভাবে বাংলার মানুষের সাথে বঞ্চনা করছে ধনিয়াখালী সহ বাংলার মানুষ তার জবাব দেবে। আর উনি ২০২১ এর পর আর ঢুকতেই পারবেন না।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here