পানিহাটি পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডে পুর্ননির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী নিহত কাউন্সিলর অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী দত্ত, জমা দিলেন মনোনয়ন পত্র

আমাদের ভারত, ব্যারাকপুর, ২৭ মে: পানিহাটি পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডে পুর্ননির্বাচনে তৃণমূলের মনোনীত প্রার্থী হলেন কাউন্সিলর অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী দত্ত। আজ তিনি মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন।

কাউন্সিলর অনুপম দত্তের হত্যার পর খালি হয়ে যাওয়া ওই ওয়ার্ডে নির্বাচন ঘোষণা হতেই তৃণমূলের মনোনিত প্রার্থী হিসেবে ব্যারাকপুর প্রশাসনিক ভবনে মনোনয়পত্র জমা দিলেন অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী দত্ত।

প্রসঙ্গত, পানিহাটি পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল প্রার্থী অনুপম দত্ত দুষ্কৃতীদের হাতে গুলিবিদ্ধ হন এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর স্বভাবতই ওই ওয়ার্ডটি অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছিল। তাই আবার ওই ওয়ার্ডে পুনর্নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে এবং আগামী ২৬ জনু নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী পানিহাটির আট নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচন ঘোষিত হয়েছে। ওই ওয়ার্ডে তৃণমূলের তরফ থেকে মৃত অনুপম দত্তের স্ত্রীকে দাঁড় করানোর কথা বলা হয়। এরপর আজ ব্যারাকপুর প্রশাসনিক ভবনে অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী দত্ত তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসেন ব্যারাকপুর প্রশাসনিক ভবনে। এদিন তার সাথে ছিলেন বিধায়ক নির্মল ঘোষ।

এদিন মনোনয়ন পত্র জমা দিতে যাওয়ায় আগে অনুপম দত্তের স্ত্রী তার স্বামীর ছবিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে বিধায়ক নির্মল ঘোষের বাড়িতে যান তার আশীর্বাদ নিতে। নির্মলবাবুর সাথে দেখা করে তাঁর আশীর্বাদ নিয়ে তাকে সঙ্গে করে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে যান মীনাক্ষী দত্ত।

এদিন প্রশাসনিক ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “অনুপম দত্তের খুনের ঘটনায় এখনো এই এলাকায় শোকের ছায়া রয়েছে। ওকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার বিচার হবে দোষীরা শাস্তি পাবেই। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি এই ওয়ার্ডে মনোনয়ন পত্র জমা নাও দিতে পারেন যেহেতু একটা শোকের আবহ রয়েছে। তবে ভোট অনুষ্ঠিত হলে গণতান্ত্রিক ভাবে ভোট হবে। আর আমাদের আশা মীনাক্ষী দেবী জয় লাভ করবে।”

এদিন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে বেরিয়ে মীনাক্ষী দত্ত বলেন “আমি অনুপমের অসমাপ্ত কাজ গুলো করতে চাই। অনুপম সব সময় আমার পাশেই আছে। আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের কাছে কৃতজ্ঞ আমাকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য।”

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here