কলকাতা ও শহরতলি রাজ্য

কেওড়াতলায় শেষকৃত্য নবনীতা দেব সেনের

তারক ভট্টাচার্য

আমাদের ভারত, ৮ নভেম্বর: মারা গিয়েছেন। খবরটা জানার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই অনুরাগী ও গুণমুগ্ধরা ভিড় করছিলেন হিন্দুস্তান পার্কে, নবনীতা দেব সেনের বাড়ি ‘ভাল-বাসা’য়। কিন্তু, পরিবার আর হাতেগোনা বিশিষ্টদের বাইরে কাউকে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তবুও শুক্রবার সকাল থেকে ‘ভাল-বাসা’র সামনে ভিড় করতে শুরু করেছিলেন গুণমুগ্ধরা। শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরও। গিয়েছিলেন সাহিত্যিক শঙ্খ ঘোষ, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, শ্রীজাত, তিলোত্তমা মজুমদার, অভিনেত্রী মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা।

মরদেহে শ্রদ্ধা জানানোর পর প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যপাল বলেন, ‘বাংলা সাহিত্যের বিরাট ক্ষতি হল।’ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘নবনীতা ব্যক্তিগতভাবে ভালো বন্ধু ছিলেন। আমার প্রিয় সাহিত্যিক। ওঁর লেখার ভীষণ ভক্ত ছিলাম। এমন রসবোধ-সম্পন্ন সাহিত্যিক সত্যিই বিরল। জীবনকে দেখার যে ভঙ্গী ওঁর মধ্যে ছিল, তা সত্যিই ব্যতিক্রম।’ সাহিত্যিক জয় গোস্বামী ফোনে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, ‘নবনীতা দেব সেনের মৃত্যুতে বাংলা সাহিত্যে এক বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি হল।’

এদিন হিন্দুস্তান পার্কের বাড়ি থেকে নবনীতা দেব সেনের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে পড়ুয়াদের পাশাপাশি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও নেত্রীরাও তাঁর মরদেহে শ্রদ্ধা জানান। এর পর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বাংলা আকাদেমিতে। সেখানে নবনীতা দেব সেনের মরদেহে শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সাংসদ মালা রায়-সহ বিশিষ্টরা। বাংলা আকাদেমি থেকে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেওড়াতলা শ্মশানে। শুক্রবার দুপুরে সেখানেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

Leave a Comment

20 − 11 =

Welcome To Amaderbharat. We would like to keep you updated with the Latest News.