সরকারি টেণ্ডার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ নদিয়ার গয়েশপুরের মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে

সরকারি টেণ্ডার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ নদিয়ার গয়েশপুরের মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে

স্নেহাশিস মুখার্জি, আমাদের ভারত, নদিয়া, ১৩ সেপ্টেম্বর: এবার নদিয়ার শান্তিপুরের গয়েশপুর পঞ্চায়েত প্রধান শাকিলা বিবির বিরুদ্ধে সরকারি টেণ্ডার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল।দলেরই একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বুধবার এই অভিযোগ জমা দেন শান্তিপুর ব্লক উন্নয়ন আধিকারিককে।গয়েশপুর পঞ্চায়েত প্রধান শাকিলা বিবীর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করবার জন্য কিছু অসৎ পঞ্চায়েত কর্মীদের সহযোগিতায় কন্ট্রাক্টারের সঙ্গে যোগসাজশে টাকা খেয়ে অস্বচ্ছ টেণ্ডার পাশ করানোর। পঞ্চায়েত প্রধান সাকিলা বিবির কাছে এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মিটিংয়ে ব্যস্ত আছি আমার স্বামীর সঙ্গে কথা বলুন বলে ফোনে তাঁর স্বামীকে ধরিয়ে দেন। তাঁর স্বামী আমিরুল ইসলাম মণ্ডল জানান, এই সব অভিযোগ মিথ্যে। আমাদের নামে মিথ্যে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

সূত্রের খবর, গত ১৪ আগস্ট শান্তিপুরের গয়েশপুর পঞ্চায়েত অঞ্চলের সভা কক্ষে অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ণ সংক্রান্ত একটা সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।যেখানে পঞ্চায়েতের নির্বাচিত সদস্য এবং সদস্যার প্রত্যেকের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় অঞ্চলের উন্নয়ণের স্বার্থে একটা ওপেন টেণ্ডার ডাকা হবে। সেইমতো গত ২৬ আগস্ট টেন্ডারের কাগজ তৈরি করা হয়। এরপরই পঞ্চায়েত প্রধান শাকিলা বিবির বিরুদ্ধে
আর্থিক দুর্নীতি, সজনপোষণ, ও কন্ট্রাক্টরের সঙ্গে যোগসাজশে টাকা খেয়ে সরকারি টেন্ডারের নোটিশ গোপন করে অস্বচ্ছ টেণ্ডার পাশ করানোর অভিযোগ তোলে দলেরই একাংশ। বুধবার এই ঘটনার বিরুদ্ধে বিক্ষুদ্ধ পঞ্চায়েত সদস্য সদস্যারা বিক্ষোভ করে শান্তিপুর ব্লক উন্নয়ন আধিকারিককে অভিযোগ জমা দেন।
গয়েশপুর পঞ্চায়েতের সদস্য মসিবুল শেখের অভিযোগ পঞ্চায়েত প্রধান ২৬ আগস্ট টেণ্ডার না টাঙিয়ে ১০ সেপ্টেম্বর টাঙ্গিয়েছে। ঐদিন আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান মহরম থাকায় ১১ তারিখ আমরা এই নোটিশের বিষয়ে জানতে পারি। আমরা সেই কারণেই বিডিওর দ্বারস্থ হয়েছি। নিশ্চই এই টেন্ডারে কোন দুর্নীতি রয়েছে, না হলে এত দিন থাকতে পঞ্চায়েত প্রধান কেন মহরমের দিনটিকেই বেছে নিলেন?

অভিযোগ প্রসঙ্গে পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী আমিরুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, এই সকল অভিযোগ মিথ্যে। দলের মধ্যেই কিছু গোলমাল রয়েছে। কিছু লোক আমাদের বদনাম করার চেষ্টা করছে।তারা চায় না এই অঞ্চলের উন্নয়ন হোক। এই নিয়ে আমি কোর্টে যাব, ওদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করব।আমার কাছে এসডিও, বিডিও ,পঞ্চায়েত, ব্যাঙ্ক, পোস্টঅফিসের প্রাপ্তি শিকার পত্র আছে। সরকারি নিয়মানুযায়ী পাঁচ জায়গায় নোটিশ দিতে হয়, নোটিশ টাঙাতে হয়। আমরা পাঁচ জায়গাতেই নোটিশ দিয়েছি। আমরা গোপন কি করলাম?

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nine − nine =

amaderbharat.com

Welcome To Amaderbharat.com, Get Latest Updated News. Please click I accept.