ঠেলার নাম বাবাজি! জনসংযোগের জন্য রাতও জাগতে হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে

ঠেলার নাম বাবাজি! জনসংযোগের জন্য রাতও জাগতে হল পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে

চিন্ময় ভট্টাচার্য 

আমাদের ভারত, ১২ অগস্ট: কথায় বলে, ঠেলায় পড়লে কী-না করতে হয়। রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাল দেখলে যে কেউ সেটা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করতে পারবেন। তিনি তৃণমূলের মহাসচিব, মন্ত্রী- এই পর্যন্ত। না-হলে, পার্থবাবুর বিরাট সাংগঠনিক দক্ষতার কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া কোনওদিন কেউ উপলব্ধি করেননি। সেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এবার জনসংযোগের জন্য রাত জাগতে হল। বেহালার সরশুনা এলাকায় ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে এই বেহাল দশা হল পার্থবাবুর। 

লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় অত্যন্ত খারাপ ফল করেছে তৃণমূল। এই অঞ্চলগুলোর মধ্যে পার্থবাবুর বিধানসভা কেন্দ্র ‘বেহালা পশ্চিম’ও রয়েছে। প্রশান্ত কিশোরের অন্তর্তদন্তে উঠে এসেছে যে, তৃণমূল জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এই খারাপ ফল হয়েছে।  সেকথা মাথায় রেখেই নেওয়া হয়েছে ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি। এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়কদের রাত জাগতে হচ্ছে। না-জাগলেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁদের নম্বর কমে যাবে। এই রাতকাটানো থেকে ছাড় পেলেন না পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। রবিবার বেহেলার সরশুনায় দলের কর্মীর বাড়িতে রাত কাটালেন তিনি।

সেই কারণেই রাজ্যের মন্ত্রী, তৃণমূল বিধায়করা রাত জেগেও এই কর্মসূচি পালন করছেন। রাতে দলের নেতা-কর্মীদের বাড়ি থাকছেন। সপ্তাহে একটা দিন এসব করতে হচ্ছে। বাকি দিনগুলো তাঁরা এলাকারই কোনও একটা জায়গায় বসে ‘দিদিকে বলো’র ভিজিটিং কার্ড বিতরণ করছেন। দলের কর্মীদের ‘দিদিকে বলো’ লেখা গেঞ্জি দিচ্ছেন। যদিও এই কর্মসূচি শেষ হলে দলীয় কর্মীরা আর সেই গেঞ্জি পরছেন না। পার্থবাবুও যেমন কয়েকদিন আগে, বেহালা ট্রামডিপোর কাছে তার দলীয় কার্যালয় থেকে এমন কার্ড ও গেঞ্জি বিলি করেছিলেন। কিন্তু, সেই গেঞ্জি তাঁর বিশাল বপুতে ধরেনি।

Related Articles

2 Comments

  • Prof Dr Dibyendu Nag , August 13, 2019 @ 9:15 AM

    Goodnight

    • amaderbharat.com , August 13, 2019 @ 1:00 PM

      নমস্কার, আপনি কোথায় থাকেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

1 × four =