“কড়াকড়ি, না বাড়াবাড়ি?” মুখ্যমন্ত্রীর এই হুমকির কারণেই রাস্তা ঘাটে মানুষের ঢল, অভিযোগ বিজেপি নেতার

সুশান্ত ঘোষ, বনগাঁ, ৩ এপ্রিল: পুলিশকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তাই লকডাউনের পরও হাটে বাজারে মানুষের ঢল। পুলিশ কড়াকড়ি করতে গেলে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে বাধা দিয়ে বলছেন, আপনারা কড়াকড়ি করছেন না, বাড়াবাড়ি করছেন? এরপর দিন থেকেই দেখা গেল লকডাউন ভেঙে মানুষ ভির জমাচ্ছেন হাটেবাজারে। এমনই অভিযোগ উত্তর ২৪ পরগনার জেলার বিজেপি সহ সভাপতি দেবদাস মণ্ডলের।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লকডাউন ঘোষণার পর দিন রাস্তা ঘাট দেখা গিয়েছিল মানুষ শূণ্য। দোকানপাট এক প্রকার বন্ধই ছিল। যানবাহন চলাচল সেই ভাবে দেখা যায়নি বললেই চলে। পুলিশের ভয়ে ঘর মুখি ছিল সাধারণ মানুষ। কিন্তু লকডাউনের এক দিন পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রেসমিট করে পুলিশকে হুমকি দিয়ে বলেন, এটা কড়াকড়ি নয়, পুলিশ বারাবাড়ি করছে। এমনকি আটজন পুলিশ কর্মীকে কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেন। এরপর দিন থেকেই শুরু হয় রাস্তায় মানুষের ভির। এই অভিযোগ বিজেপি নেতা দেবদাস মণ্ডলের।

দেবদাসবাবু বলেন, লকডাউনের পরে পুলিশ যে ভাবে কাজ করছিল, সেই ভাবে কাজ করতে দিতে হবে। শুধু পুলিশ নয়, মানুষকেও সচেতন হতে হবে। মানুষ বুঝতে পারচ্ছে না করোনা ভাইরাস কত বড় মারন রোগ। যে ভাবে হাটে বাজারে মানুষের ঢল নামছে তাতে এক মাসের মধ্যে মহামারী আকার নেবে। পুলিশ প্রশাসনকে কাজ করতে দিলে মানুষের সচেতনতা ফিরবে।

বনগাঁর বাসিন্দা আরতি দাস বলেন, ভালো কাজ করতে গেলে দুই একটা কাজ ভুল হতেই পারে। তাইবলে পুলিশকে নিরব দর্শকের মতো কাজ করলে হবে না। আমাদেকে এগিয়ে আসতে হবে। গাইঘাটার বাসিন্দা সঞ্জিব রায় বলেন, লকডাউনের পর দিন বাজার করতে যাওয়ার সময় পুলিশের লাঠির আঘাতে তাঁর পায়ে ক্ষত হয়। তিনি বলছেন, পুলিশ আমাকে মেরেছে ঠিকই, কিন্তু এটা পুলিশের ভুল নয়, আমাদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য মেরেছে। তাই লকডাউন ভেঙে কেউ হাটে বাজারে গেলে পুলিশ তার কাজ করবে।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here