আমফানের মোকাবিলায় প্রস্ততি জোরকদমে পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলে

আমাদের ভারত, পূর্ব মেদিনীপুর, ১৮ মে : ঘূর্ণিঝড় আমফান বুধবারের মধ্যে আছড়ে পড়ত পারে পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্র উপকূলে। আবহাওয়া দপ্তরের থেকে সর্তকতা বার্তা পেয়েই বিপর্যয় মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সমুদ্র উপকূল এলাকাগুলিতে।

ঘূর্ণিঝড় আমফান নিয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। রামনগর ১ নং ব্লকের সমুদ্র সৈকত থেকে শুরু করে হলদিয়া পর্যন্ত সমুদ্র ও নদী তীরবর্তী এলাকায় মাইকিং করে এলাকাবাসীকে সতর্ক করছে উপকূলের থানাগুলি। আগামী ১৯ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় আমফান। করোণা ভাইরাসের আতঙ্কে ভুগছে রাজ্যবাসী তার ওপর ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আশঙ্কায় আতঙ্কিত সমুদ্র ও নদী উপকূলবাসী। দীঘা মান্দারমনি সহ সমুদ্র সৈকত এলাকায় গ্রামবাসীদের মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। যেসব মৎস্যজীবী সমুদ্র বা নদী লাগোয়া ট্রলার বা মাছ ধরার নৌকোয় রয়েছে তাদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে। এবং নিরপদ স্থানে চলে আসার কথা বলা হচ্ছে। যদিও ১৫ জুন পর্যন্ত সমুদ্রে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে গভীর সমুদ্রে কোনও ট্রলার নেই।
ইতিমধ্যে রবিবার ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিল ইমার্জেন্সি ফোর্সের ১২টি বোট কলকাতা থেকে দিঘার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। এনডিআরএফ এর জওয়ানরা কাজ শুরু করেছে দীঘা সহ উপকূলবর্তী এলাকায়। সেই সঙ্গে কাঁথি মহকুমার আটটি ব্লকে বারটি গাছ কাটার মেশিন পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে ৬৩ জন নুলিয়া, ২০জন আপদ মিত্র এবং ১০জন সিভিল ডিফেন্সের কর্মীকে।

জেলাশাসক পার্থ ঘোষ জানিয়েছেন, ত্রাণ সহ সমস্ত রকমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে আমফন ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলার জন্য। এই মুহূর্তে আমফান ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ বাংলাদেশের দিকে থাকলেও পশ্চিমবঙ্গের উপকূল এলাকায় তার প্রভাব যথেষ্ট পড়তে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়ে বলে জেলাশাসক জানিয়েছেন।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here