জলপাইগুড়ি পুরসভার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ ও মিছিল সিপিএমের

আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ২৫ নভেম্বর: পুর নাগরিক পরিষেবা তলানিতে পৌঁছে গিয়েছে জলপাইগুড়ি শহরে অভিযোগ সিপিএমের। অন্যদিকে ছাপ্পা ভোটের পুরসভায় চলছে একের পর এক দুর্নীতি এই অভিযোগ তুলে শুক্রবার প্রতিবাদ বিক্ষোভ ও পুরসভা অভিযানের সামিল হল সিপিএম নেতা কর্মীরা। এ দিন শহরের ডিবিসি রোডের বামফ্রন্টের জেলা কার্যালয় থেকে মিছিল বের হয়। শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে মিছিলটি পুরসভার সামনে গিয়ে শেষ হয়।

অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে কোতোয়ালি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। পুরসভার দুটি গেটে আটকে দেওয়া হয় পুলিশের তরফে। যদিও আন্দোলনকারীরা পুলিশের সঙ্গে কোনো ধস্তাধস্তি করেননি। সোজা পুরসভার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন তারা। অবস্থান বিক্ষোভে বক্তব্যের মধ্য দিয়ে পুরসভার আর্থিক দুর্নীতি প্রতিবাদ ও নাগরিক পরিষেবা সচল করার দাবিতে সোচ্চার হন তারা। এদিনের অবস্থান বিক্ষোভে সিপিএম ছাত্র, যুব, মহিলা, শিক্ষক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতা ও কর্মীরা সামিল হয়েছিলেন। পুরসভাকে উদ্দেশে করে “কত পেলে? কত খেলে?” এই ব্যানার টাঙিয়ে চলে বিক্ষোভ। অবস্থান বিক্ষোভের পর পুর কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিক দাবি তুলে ধরলেন সিপিএমের নেতারা৷ দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে পানীয় জলের পরিষেবা সচল করতে হবে, বাড়ির ছাদে জল উঠছে না সেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। রাস্তা সংস্কার সহ একাধিক দাবি তুলে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

আন্দোলনে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম নেতা বিপুল স্যানাল, শিক্ষক নেতা বিপ্লব ঝাঁ, সিপিএমের জেলা কমিটি সদস্য প্রাক্তন কাউন্সিল প্রদীপ দে, প্রাক্তন কাউন্সিল দুর্গা বন্দ্যোপাধ্যায়। বামফ্রন্টের জেলা সম্পাদক সলিল আচার্য বলেন, “ফেক পুরসভা। কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি চলছে। নাগরিক পরিষেবা তলানিতে। এর প্রতিবাদে আজকের বিক্ষোভ। যদিও পুরসভার জনপ্রতিনিধিরা দফতরে নেই। পালিয়ে গিয়েছে।”

পরে দাবিপত্র গ্রহণ করেন জলপাইগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ দেখাতে বলেছি একটাও দেখাতে পারেনি৷ রাস্তাঘাট সংস্কার সব করা হবে ধীরে ধীরে। বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের প্রকল্প ২০২৩ সালের মধ্যে শেষ হবে। আর দুর্নীতি নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত চলছে রিপোর্ট আসার পরেই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here