শ্যামপুর শান্ত জায়গা, তাই সুজন মান্নানরা অনায়াসে ঘুরতে পেরেছে: বিধায়ক কালীপদ মন্ডল

আমাদের ভারত, হাওড়া, ৮ জুন: একটা পারিবারিক বিবাদের ঘটনাকে রাজনৈতিক রঙ লাগিয়ে সুজন চক্রবর্তী ও আব্দুল মান্নান শ্যামপুরে অশান্তি পাকাতে এসেছিল। শ্যামপুর শান্ত এলাকা বলে কোনও অশান্তি হয়নি। আর সেই কারণে দুজনে অনায়াসে ঘুরতে পেরেছে। সোমবার দুপুরে শ্যামপুরের শশাটিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই কথা বলেন বিধায়ক কালীপদ মন্ডল।

এদিন বিধায়ক অভিযোগ করেন, একটি পারিবারিক বিবাদের একজন যুবক আহত হয়েছে আর আহত যুবককে তৃণমূল কর্মীরা মেরেছে বলে বিরোধীরা মিথ্যা দাবি করে থানায় ডেপুটেশান দিয়েছে। অন্য জায়গা হলে আব্দুল মান্নান ও সুজন চক্রবর্তীকে এলাকায় ঢুকতে দিত না।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি আমফান বিধ্বস্ত শ্যামপুরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে ফেরার পরেই দুই কংগ্রেস কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে আব্দুল মান্নান ও সুজন চক্রবর্তী শ্যামপুরে আসার পরিপ্রেক্ষিতে এই কথা বলেন বিধায়ক কালীপদ মন্ডল। এদিন বিধায়ক বলেন, করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি আমফান ঘূর্ণিঝড়ের পর তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা মাঠে নেমে কাজ করলেও বিরোধীদের দেখা যায়নি আর তারাই আবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে।

কালীপদ মন্ডল জানান, করোনা সংক্রমণের পর শ্যামপুরে ২ জনের শরীরে সংক্রমণ পাওয়া গেলেও পরিযায়ী শ্রমিক আসার পর সেই সংখ্যা বাড়ছে। তিনি বলেন, আমফান ঘূর্ণিঝড়ে শ্যামপুরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও নদী বাঁধের কোনও ক্ষতি না হওয়ায় বড়সড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। তবে ঘূর্ণিঝড়ের পর থেকে যেভাবে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে কাজ করেছেন তার ভূয়সী প্রশংসা করেন বিধায়ক। এদিন তিনি বলেন, লকডাউনের প্রথম দিন থেকেই যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী রাস্তায় নেমে মানুষকে সচেতন করেছেন তা এক কথায় ইতিহাস। এদিনের এই সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্যামপুর ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জুলফিকার মোল্লা।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here