লকডাউনের বাজারে সোশ্যাল মিডিয়াই ভরসা বাঙালিবাদী সংগঠনগুলোর

চিন্ময় ভট্টাচার্য, আমাদের ভারত, ২ এপ্রিল: লকডাউনের বাজারে আন্দোলন কর্মসূচি নেওয়া সম্ভব না। অথচ, সংগঠন চালাতে প্রাথমিক তিনটি- কর্মসূচি, কর্মী আর কার্যালয় রাখার শর্ত মানতেই হয়। এই রাজ্যে বাঙালিবাদী সংগঠন ‘বাংলা পক্ষ’ আর ‘ঐক্য বাংলা’ তাই অন্যান্য সংগঠনগুলোর মতোই রীতিমতো বিপাকে। পরিস্থিতি সামলাতে এই দুই সংগঠন তাই আপদকালীন পরিস্থিতিতে কর্মসূচি পালনে এবং কর্মীসংযোগে সোশ্যাল মিডিয়াতেই ভরসা রাখছে।

এর মধ্যে ‘ঐক্য বাংলা’, লকডাউনের মধ্যে একটি সপ্তাহ বাঙালির গৌরবময় ইতিহাস স্মরণ এবং সেই ইতিহাসকে কীভাবে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা করে কাটিয়েছে। আর, ‘বাংলা পক্ষ’ তাদের সোশ্যাল সাইটে একের পর পোস্টে ‘হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী’ শক্তির বিরুদ্ধে নানা আক্রমণ চালিয়েছে। পাশাপাশি, বাঙালি যুবদের কর্মসংস্থান-সহ বাঙালির সামগ্রিক উন্নয়নের দাবিতে এই সব পোস্টের মাধ্যমে সরব হয়েছে ‘বাংলা পক্ষ’।

কবে লকডাউন উঠবে, তার সময়সীমা আছে বটে। কিন্তু, সেই সময়সীমা বাড়বে কি না, তা নিয়ে এখনও জল্পনা অব্যাহত। বাড়লে, সেই সময়সীমা টানা বাড়ানো হবে, নাকি কিছুটা সময় স্বাভাবিক জনজীবন চালু রেখে তার পর ফের চালু হবে নতুন করে লকডাউন? এই সব প্রশ্নেই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্ন মহল। সংগঠন তৈরি এবং রক্ষণাবেক্ষণ যাঁদের দৈনিক কাজ, এই অবস্থায় সংগঠন ধরে রাখতে তাঁরা নিত্যনতুন রাস্তা খুঁজে চলেছেন। অনেকেই লকডাউন ভেঙে বাড়ি বাড়ি চাল, ডাল বিতরণ করছেন। কিন্তু, সকলের এমন অর্থব্যয়ের ক্ষমতা নেই। সোশ্যাল মিডিয়াই এমন গৃহবন্দিদশায় তাঁদের ভরসাস্থল হয়ে উঠেছে।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here