“স্বাস্থ্যসাথী এখন ব্যর্থসাথী”, তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সরব সুকান্ত মজুমদার

আমাদের ভারত, ২১ জুন: শিক্ষক নিয়োগে তৃণমূল নেতাদের কাটমানি খাওয়ার অভিযোগ তুলে যেমন সরব হয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি, ঠিক তেমনি রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর কথায় তৃণমূল সরকারের স্বাস্থ্যসাথী এখন ব্যর্থসাথীতে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।

জেলায় জেলায় এসএসসি কেলেঙ্কারির পাশাপাশি রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প নিয়েও শাসক দলকে নিশানা করেছেন সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাটে জেলা মিউজিয়ামের সামনে জনসভা থেকে সুকান্ত মজুমদার বলেন, এই সরকারই বাংলায় আয়ুষ্মান ভারত চালু করতে দেয়নি। ওরা বলে রাজ্যে নাকি স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প রয়েছে। অথচ প্রথম প্রথম তাও কিছু মানুষ চিকিৎসা পেতেন। এখন আর কোনো পরিষেবায় নেই এই কার্ডে। স্বাস্থ্যসাথী এখন ব্যর্থসাথী। বিভিন্ন হাসপাতালে গেলে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নেয় না। সরাসরি না বলে না, বেড নাই বলে কাটিয়ে দেয়।

স্বাস্থ্য সাথী ছাড়াও ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে বলে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এই সরকার ১০০ দিনের সব টাকা খেয়ে ফেলেছে। অথচ কেন্দ্রে গিয়ে টাকা চাই টাকা চাই করে ভিক্ষা করে। আমি পঞ্চায়েত মন্ত্রীকে বলেছি, টাকার হিসেব না দিলে একটা টাকাও দেবেন না। উত্তর দিনাজপুরে ২২ লক্ষ টাকার গাছ নাকি গরু ছাগলে খেয়ে নিয়েছে। তাই যদি হতো তবে ওই ছাগল এতদিনে আস্ত হাতি হয়ে যেত। আসলে ওই টাকা তৃণমূলের ছাগল নেতারাই খেয়েছে। অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সেহগাল হোসেনের কয়েকশো কোটি টাকার সম্পত্তি হদিস মিলেছে। একজন কনস্টেবলের চাকরি করে এত টাকা রোজগার কোথা থেকে হয়? তৃণমূলের সব নেতা গুলোই জেলে ঢুকবে কেউ ছাড় পাবে না।”

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here