কোচের কীর্তি! গোয়ায় সাঁতারের জাতীয় কোচিং দেওয়ার নাম করে যৌন হেনস্থা

কোচের কীর্তি!  গোয়ায় সাঁতারের জাতীয় কোচিং দেওয়ার নাম করে যৌন হেনস্থা

আমাদের ভারত, হুগলী, ৫ সেপ্টেম্বর: গোয়ায় সাঁতারের জাতীয় কোচিং দেওয়ার নাম করে যৌন হেনস্থা। হুগলীর রিষড়ার বাসিন্দা ওই জাতীয় সাঁতারুর অভিযোগ তাঁর কোচ সুরজিৎ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে।

২০১৬ সালে বাংলার হয়ে জাতীয় স্তরে দুটি সোনা ও একটা ব্রোঞ্জ পদক পাওয়া ওই সাঁতারু তার বাবা মা সহ গোয়ায় যান জাতীয় স্তরের কোচিং এর জন্য। মেয়ের স্বপ্ন দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক পদক আনবেন, সেই আশায় সব কাজ ছেড়ে সপরিবার গত ছ’মাস ধরে সেখানে থাকতে শুরু করেন।


ছবি: অভিযুক্ত কোচ সুরজিৎ গাঙ্গুলি

খুব ছোট বেলায় তাঁর প্রশিক্ষণ শুরু বালি গ্রামাঞ্চল সুইমিং সেন্টারে, কোচ সুরজিত গাঙ্গুলির হাতেই। তাঁর সেরা ইভেন্ট ব্রেস্ট স্ট্রোক। কোচ সুরজিৎ গাঙ্গুলিকে শুধু মেয়ে নয় পরিবারের লোকেরাও ভগবানের আসনে বসিয়েছিলেন। তারই পরামর্শে গত ২০১৯ সালেই নিজ রাজ্য ছেড়ে গোয়ার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবার জন্যে সায় দেয় গোটা পরিবার এবং তাঁদের কাছ থেকে কোচ সুরজিৎ ৫০০০ টাকাও নেন। পিতার সামর্থ্য সেরকম না থাকায় সাঁতারুর বাবা গোয়াতে গিয়ে উপার্জনের জন্যে গাড়ি চালানোর জীবিকা বেছে নেন।

কিন্তু তিনি লক্ষ্য করতেন তার আদরের মেয়ে একান্তেই কাঁদে। পরে জিজ্ঞেস করায় সব খোলসা করে বলে যে কীভাবে বারবার সেই কোচ শ্লীলতাহানি করেছেন। শুনে অভিভাবকরা স্তম্ভিত হয়ে যান। প্রথমটায় বিশ্বাস করতে না চাওয়ায় পরদিন আবারও সেই একই কান্ডের সময় কোচের পুরো ভিডিও মোবাইল ফোনে রেকর্ড করে মেয়েটি।

ভিন রাজ্যে কিছু উপায়ান্তর না পেয়ে গত সোমবার সপরিবার রিষড়ায় ফিরে আসে তারা। রিষড়া থানায় এ বিষয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে ভিন রাজ্যের বিষয় বলে এড়িয়ে যায় থানা। এর পরই সোশাল মিডিয়ায় পুরো বিষয়টি জানিয়ে পোষ্ট করে পরিবারটি। সাঁতারুর বাবার অভিযোগ থানায় গিয়ে কোনো ফল না হওয়ায় আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় এর মুখোশ খুলতে চাই, আবেগতাড়িত গলায় বললেন আমার মেয়েকে আর ভিনরাজ্যে পাঠাবো না।

" class="prev-article">Previous article

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × 5 =

amaderbharat.com

Welcome To Amaderbharat.com, Get Latest Updated News. Please click I accept.