একটানা বৃষ্টিতে পাহাড়জুড়ে ধস অব্যাহত, বিপাকে পর্যটকরা, ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কিছু বাড়ি

আমাদের ভারত, দার্জিলিং, ২০ অক্টোবর: একটানা বৃষ্টিতে পাহাড় জুড়ে ধস অব্যাহত। রাত থেকেই বিভিন্ন নদীতে জল বাড়তে থাকার পাশাপাশি দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার বিভিন্ন রাস্তায় ধস নামে। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বৃষ্টি কমতেই পাহাড়ের বেশ কিছু রাস্তা পরিষ্কার হয়ে যায়। তখন আটকে থাকা পর্যটকরাও নেমে আসেন সমতলে। এদিকে সমতলেও বৃষ্টির জেরে বিভিন্ন ওয়ার্ডে জল জমে যায়। এমনকি বাগডোগরা বিমানবন্দরগামী মাটিগাড়া বালাসন সেতুর একটি পিলার হেলে যায়। তাই ওই রাস্তা দিয়ে সব রকম যানচলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘুরপথে গাড়ি গুলোকে পাঠানো হয়।

সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া একটানা বৃষ্টিতে পাহাড়ে নদীর জল বাড়ার পাশাপাশি ধসও নামে। মঙ্গলবারও সারাদিন বৃষ্টি হওয়ায় ধসের পরিমাণ বেড়ে যায়। স্বভাবতই বিপাকে পড়েন পর্যটকরাও। তবে বুধবার সকালে বৃষ্টি কমতেই বিপর্যয় মোকাবিলা দল রাস্তা পরিষ্কার করা শুরু করে। সকাল থেকে বন্ধ হয়ে থাকা ১০ নম্বর জাতীয় সড়কও খুলে যায় বিকেলবেলায়। এরপরেই পর্যটকরা সমতলে ফিরে আসেন। তবে ধসের জেরে দার্জিলিং ও কালিম্পং দুই জেলাতেই বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কোথাও হতাহতের খবর নেই।

এদিকে শিলিগুড়িতে মহানন্দায় জল বাড়তে থাকায় মঙ্গলবার রাতভর পুরনিগমে থাকল প্রশাসক মন্ডলীর সদস্যরা। খোলা হয় কন্ট্রোল রুম। একইভাবে এসজেডিএতে রাত জাগেন চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী। সেখানেও একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। আবার দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক এস পুন্নমবলম বলেন, দার্জিলিং, কার্শিয়াংয়ে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। গোটা পাহাড়ে কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

অন্যদিকে মাটিগাড়ার বালাসন সেতুর পিলার ক্ষতি হওয়ায় তা পরিদর্শনে যান প্রশাসক গৌতম দেব সহ পুলিশ কমিশনার গৌরব শর্মা ও সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা। বৃষ্টি কমলেই দ্রুত ওই সেতু মেরামত করা হবে বলে জানিয়ে দেন গৌতম দেব। তবে আপাতত কয়েকদিন ওই সেতু দিয়ে যানবাহন চলতে দেওয়া হবে না।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here