কাঁথির এক অধ্যাপিকার সঙ্গে স্বামীর অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ করায় গৃহবধূকে মারধর, গ্রেপ্তার ২

আমাদের ভারত, পূর্ব মেদিনীপুর, ১৩ আগস্ট: স্বামীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ করায় গৃহবধূকে মারধর, অভিযুক্ত কাঁথির এক অধ্যাপিকা। ঘটনায় গ্রেফতার দুই। অধ্যাপিকা পলাতক।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি-৩ নম্বর ব্লকের দুরমুঠে দেশপ্রাণ মহাবিদ্যালয়ের এক অধ্যাপিকার বিরুদ্ধে এক বিবাহিত যুবকের সাথে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ করেন যুবকের স্ত্রীর। আরো অভিযোগ, যুবকের স্ত্রী প্রতিবাদ করায় এই অধ্যাপিকা তার বিবাহিত প্রেমিক ও পরিবারের সদস্যদের সাহায্যে তাঁকে প্রাণে মারারও হুমকি দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত প্রেমিক তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে প্রেমিকা অধ্যাপিকার বাড়িতেই থাকত। ওই যুবকের স্ত্রীর অভিযোগ, বাইরে পাতানো ছেলে বলে ভেতরে ভেতরে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন এই অধ্যাপিকা।

অভিযুক্ত যুবক মাস কয়েক আগে বিয়ে করে আনার পর সত্য সামনে আসতেই শুরু হয় গৃহবধূর ওপর অত্যাচার বলে অভিযোগ। অত্যাচার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালে গৃহবধূ অমৃতা দাস অধিকারী কাঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত অধ্যাপিকার ভাই রাজীব সাউ ও প্রেমিক তথা অভিযোগকারীর স্বামী সঞ্জীব দাস অধিকারীকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্ত অধ্যাপিকা রূমালি সাউ, তাঁর মা মঞ্জুরানি সাউ ও বাবা নিরঞ্জন সাউ পলাতক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস আগে হলদিয়ার ব্রজনাথচক এলাকার বাসিন্দা অমৃতার সঙ্গে খড়্গপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সঞ্জীব দাস অধিকারীর বিয়ে হয়। তবে এই অধ্যাপিকা তাকে ছেলে পাতানোয় সে আঠিলাগড়িতে অধ্যাপিকার বাড়িতে থাকতো। অমৃতা দাস অধিকারী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে পাতানো মা তথা অধ্যাপিকা প্রেমিকার চাপে তার স্বামী সঞ্জীব দাস অধিকারী তাকে বাপের বাড়ি থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আনতে বাধ্য করে। প্রতিবাদ করায় উল্টে অত্যাচারিত হতে হয়েছে ওই গৃহবধূকে। এই মর্মে তিনি কাঁথি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন, যার কেস নং ২৮১/২০, তাং ১১/৮/২০। ধৃত ২ অভিযুক্তকে বুধবার আদালতে তোলা হলে আদালত ধৃতদের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। কাঁথি থানার পুলিশ অভিযুক্ত অধ্যাপিকার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here