চ্যালেঞ্জের নাম নরেন্দ্র মোদী! ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন নমোর

আমাদের ভারত,৮ অক্টোবর: নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে টানা কুড়ি বছর কাজ করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী। স্বভাবতই ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি নতুন দৃষ্টান্ত। একই সঙ্গে এটা তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারেও বড় মাইল ফলক।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত যেমন বিতর্ক সৃষ্টি করছে তার চেয়ে বেশি তার জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে। একাধিক নতুন ধারণার পথ প্রদর্শক তিনি। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। সেই সময় দলের অভ্যন্তরে বেশকিছু চড়াই উৎরাই দেখেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসার পরেই গুজরাটের ভুজে ভয়ংকর ভূমিকম্প হয়। সেই সময় প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল ভুজ। এরপর ২০০২ সালে গুজরাটের হিংসা। কিন্তু একের পর এক বিপর্যয় সামলেও সেই রাজ্যে বিজেপির শিকড় শক্ত করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। পরপর তিনবার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সেখানে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজ্যের উন্নয়নকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে যান তিনি, যে দেশে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয় ওঠে “গুজরাট মডেল।”

এরপর ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ও বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের হাতিয়ার ছিল এই “গুজরাট মডেল”। ২০১৪ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদী। পাঁচ বছর পর বিরোধীদের এক প্রকার মুছে ফেলে ২০১৯ সালে আবারও বিরাট জনাদেশ নিয়ে ক্ষমতায় ফেরেন বিজেপি তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কিংবা মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে তাঁর সরকারের সিদ্ধান্ত ঘিরে। তবু তাঁর হাত ধরেই বার বার দেশের একাধিক নতুন ধারণা প্রবর্তিত হয়েছে। ২০০৩ সালে যে সময় ভারতে শিল্প সম্মেলন সম্পর্কে কোনও ধারণাই ছিল না, সেই সময় মোদীর হাত ধরে চালু হয় শিল্প সম্মেলন। তাই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, নিজেকে সবসময় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়েছেন মোদী। ঝুঁকি নিয়েছেন একাধিকবার। নোট বাতিল, জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা অথবা ৩৭০ ধারা রদ, তিন তালাক বিল কিংবা সিএএ-র মত পদক্ষেপ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হলেও তার জনপ্রিয়তা বেড়েছে কয়েক গুণ।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here