এবার কলেজে অধ্যাপক নিয়োগেও দুর্নীতির অভিযোগ, সিবিআই তদন্তের দাবি আন্দোলনকারীদের

আমাদের ভারত, ২৬ জুন: এবার পশ্চিমবঙ্গ কলেজ সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধেও নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল আন্দোলনকারীরা। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা বলে জানিয়েছেন।

২০১৮ সালে কলেজ সার্ভিস কমিশনের মেধা তালিকাভুক্ত প্রার্থীরা রবিবার একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন। সাংবাদিক বৈঠক থেকে তারা জানিয়েছেন, সারা
রাজ্যজুড়ে আন্দোলন হচ্ছে, কিন্তু সরকারের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। সরকারি নিয়োগে দুর্নীতি হলে তার প্রভাব পড়ে মানুষের উপর। যারা চাকরি পেয়েছেন তাদের মেধা তালিকার নম্বর প্রকাশের দাবি জানান তারা কলেজ সার্ভিস কমিশনে কাছে।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সবকিছু চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কমিশনকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে, উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীকেও চিঠি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও জানানো হয়েছিল কিন্তু কোনো পদক্ষেপ করেননি তিনি। বিষয়টি নিয়ে আরটিআই করে তথ্য জানতে চাওয়া হলে জানানো হয়নি বলেও তাদের অভিযোগ।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হলে সিঙ্গেল বেঞ্চ তাদের পক্ষে রায় দিলেও তা মানেননি কমিশন। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়া হয়। মামলা যাতে না ওঠে তার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের।

আন্দোলনকারীদের দাবি, যারা চাকরি পেয়েছেন তাদের অনেকেরই চাকরি পাওয়ার যোগ্যতা নেই। কলেজ সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। ঘটনা প্রসঙ্গে নিজাম উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে।

যদিও কমিশন পাল্টা জবাবে জানিয়েছে কোন দুর্নীতি হয়নি। নিজামুদ্দিনের নিয়োগ নিয়ে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা একেবারেই সঠিক নয়। নিজামুদ্দিনের চাকরি হবার ক্ষেত্রে কোনো দুর্নীতি নেই। পলাশ মন্ডলের করা মামলা আদালতে খারিজ হয়ে গিয়েছে। প্যানেলে নাম না থাকলেও স্টেট ইনফরমেশন কমিশন বা কোর্টের নির্দেশ থাকলে তা মানতে বাধ্য কমিশন।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here