সৌমিত্র খাঁ রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে কাদের সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন, প্রশ্ন উঠেছে দলের অন্দরে

আমাদের ভারত, কলকাতা, ১১ জুন: বিজেপি যুব মোর্চার দায়িত্ব পাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই সৌমিত্র খাঁ’র কার্যকলাপ নিয়ে দলের মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। যুব মোর্চার নেতা এবং কর্মীদের অভিযোগ, সংগঠনের পুরনো নেতাকর্মীদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। তাদের না জানিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। আর এই ক্ষেত্রে গুরুত্ব পাচ্ছেন তৃণমূল থেকে আসা নেতারা।

গত পয়লা জুন যুব মোর্চার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। কিন্তু সাত দিনের মধ্যেই তাঁর কার্যকলাপ নিয়ে যুব মোর্চার নেতাকর্মীদের ভেতর প্রশ্ন উঠেছে। গত ৯ তারিখ অমিত শাহের র‍্যালি দিন তিনি দেখা করতে গিয়েছিলেন রাজ্যপালের কাছে। তাঁর অভিযোগ ছিল, অমিত শাহ’র ভাষণ যাতে সবাই শুনতে না পারে সেই জন্য চক্রান্ত করে বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় যুব মোর্চার কাউকেই তিনি নিয়ে যাননি বলে অভিযোগ। তার সঙ্গে ছিলেন শঙ্কুদেব পন্ডা, প্রীতম দত্ত–এরা দুজনেই একসময় তৃণমূলে ছিলেন। সংগঠনের নেতাদের বক্তব্য এক্ষেত্রে যুব মোর্চার সহ-সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক তাদের তো নেওয়া হয়নি। এমনকি তাঁরা জানতেন না যে যুব মোর্চার সভাপতি হঠাৎ রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন।

রাজ্য কমিটির এক নেতার বক্তব্য, সংগঠন কে না জানিয়ে এর আগে কখনো এরকম কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তার ওপর যুব মোর্চার কোনও সহ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বা সম্পাদক কাউকেই নেওয়া হলো না কেন? এই বিষয়টিকে তারা ভালো চোখে দেখছেন না। তারা বলছেন, এবার কি যুব মোর্চার তৃণমূলী করণ পাকা হলো। যারা দীর্ঘদিন ধরে যুব মোর্চা তথা বিজেপি সঙ্গে যুক্ত আছেন তারা আজ পেছনের সারিতে চলে গেছেন। তাদের কোনো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। অথচ একসময় এরা আদর্শের টানে এসেছিলেন। সেই আদর্শবান নেতাকর্মীদের পেছনের সারিতে পাঠিয়ে দিয়ে এখন কি আগামী দিনে তৃণমূল থেকে আসা নেতাকর্মীরাই গুরুত্ব পাবেন উঠেছে সেই প্রশ্ন? তাদের প্রশ্ন, আগামী দিনে কি যারা দলবদল করে আসবেন তারাই গুরুত্ব পাবেন বেশি?

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here