“চা-‌শ্রমিকদের পিএফ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পেতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্য,” বললেন মলয় ঘটক

আমাদের ভারত, শিলিগুড়ি, ৮ আগস্ট: উত্তরবঙ্গে চা-‌শ্রমিকদের পিএফ সমস্যা বহুদিনের। বছরের পর বছর চা-‌বাগানে শ্রমিকের কাজ করলেও ঠিকঠাক পিএফ জমা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। মূলত এই অভিযোগ, চা বাগান মালিকদের বিরুদ্ধেই। এই নিয়ে একসময় ডুয়ার্সের বিজেপি সাংসদ নানারকম হুঁশিয়ারিও দিতে ছাড়েননি। এবারে চা-‌শ্রমিকদের পিএফ সমস্যার সমাধান করতে এগিয়ে এল রাজ্য। ইতিমধ্যে পিএফ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পেতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রিপোর্টও তলব করা হয়েছে বলে এদিন জানালেন টি অ্যাডভাইসরি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান তথা পূর্ত মন্ত্রী মলয় ঘটক।

তিনি এদিন টি অ্যাডভাইসরি কাউন্সিলের নতুন কমিটির প্রথম বৈঠক করার পর জানান, ‘‌পিএফ কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয়। সেক্ষেত্রে যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা হাতে তথ্য না পাব ততক্ষণ পর্যন্ত বুঝতে পারব না কতটা সমস্যা হয়ে আছে। বা প্রকৃত সমস্যা কোন জায়গায়। সেই তথ্য সংগ্রহ করার পর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসব। যাতে করে পিএফ সমস্যার অবসান হয়। কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সবসময় চান যারা সাধারণ শ্রমিক তাঁরা যেন ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত না হন।’‌

এদিন পিএফ ছাড়াও চা-‌বাগানের শ্রমিকদের জন্য নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নে জোর দেওয়া, চা-‌সুন্দরী প্রকল্পের অধীনে ঘর তৈরি সহ বন্ধ চা বাগান খোলার ব্যাপারে আইনি জটিলতা, রুগ্ন চা বাগানের পুনরুজ্জীবন, চা বাগানের অব্যবহৃত জমি বিকল্প কাজে ব্যবহার সহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা হয়েছে চা পর্যটন নিয়েও।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি টি অ্যাডভাইসরি কাউন্সিলের নতুন কমিটির গঠিত হয়েছে। তার চেয়ারম্যান হয়েছেন মলয় ঘটক, ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কুমার কল্যাণী, সদস্য রয়েছেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, তৃণমূল নেতা ঋতব্রত ব্যানার্জি, রাজ্য সভার সাংসদ শান্তা ছেত্রি, এসজেডিএ চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তি। নতুন কমিটি গঠনের পর এদিন শিলিগুড়ির বিবেকানন্দ ভবনে ছিল প্রথম বৈঠক। সেখানেই এই বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here