দুঃস্থদের সাহায্যের নামে পোকাধরা খাদ্য সামগ্রী দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে, বিক্ষোভ বাসিন্দাদের

আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ১৪ এপ্রিল:
লকডাউনে দুঃস্থদের সাহায্যের নাম করে তৃণমূল কাউন্সিলরের নিম্নমানের পচা, পোকাধরা চাল দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। চালের প্যাকেট ছিঁড়ে মাটিতে ছড়িয়ে ফেলে দেন এলাকার দুঃস্থ, গরিব, দিনমজুর মানুষেরা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মিলনপাড়া এলাকায়। উত্তেজিত বাসিন্দারা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পুষ্পা মজুমদারের বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।

সাহায্য করার নাম করে নিম্নমানের অখাদ্য সামগ্রী বিতরণ করায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে রায়গঞ্জ পুর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে। লকডাউনের কারণে খেটে খাওয়া দিনমজুর, দুঃস্থ ও গরিব মানুষরা চরম সমস্যায় পড়েছেন। রায়গঞ্জ পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলররা এলাকার দুঃস্থ, গরিব ও দিনমজুর মানুষদের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়ার কাজ শুরু করেছেন।

মঙ্গলবার বিকেলে মিলনপাড়ার দুর্গামন্দিরের সামনে পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর পুষ্পা মজুমদার ও তাঁর দলের কর্মীরা এলাকার দুঃস্থদের ২ কেজি করে চাল, সোয়াবিন, আলু বিতরণ করেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিম্নমানের চাল, পচা দুর্গন্ধযুক্ত সোয়াবিন দিয়েছে কাউন্সিলর যা খাবার একেবারে অযোগ্য। নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী হাতে পেয়েই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। তারা সেইসমস্ত খাদ্যসামগ্রী মাটিতে ফেলে দিয়ে কাউন্সিলর পুষ্পা মজুমদারের বাড়িতে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, যেসব খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে তা গরু ছাগলেও খাবে না। তো মানুষ কিভাবে এগুলো খাবে। এইসব খাবার খেলে মানুষের মৃত্যু হবে বলেও দাবি করেন পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় রায়গঞ্জ শহরের মিলনপাড়া এলাকায়।

ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপির জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ী। তিনি বলেন, আগে তৃণমূল কাউন্সিলর পুষ্পা মজুমদারের ওই খাদ্যসামগ্রী খাওয়া উচিত ছিল।

এব্যাপারে তৃণমূল কাউন্সিলর পুষ্পা মজুমদার বলেন, কোনও খাদ্যসামগ্রী নিম্নমানের ছিল না। এলাকায় অশান্তি ছড়াতেই বিজেপি এই চক্রান্ত করেছে।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here