জহর সরকারকে রাজ্যসভার প্রার্থী মনোনীত করল তৃণমূল কংগ্রেস

আমাদের ভারত, ২৪ জুলাই: দুদিন পরেই দিল্লি সফরে যাওয়ার কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তার আগেই জল্পনার অবসান করে দলের রাজ্যসভার প্রার্থী ঠিক করে ফেললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। প্রসার ভারতীর প্রাক্তন অধিকর্তা জহর সরকারকে তৃণমূলের প্রার্থী মনোনীত করা হলো। শনিবার দলের টুইটার হ্যান্ডেল একথা ঘোষণা করা হয়েছে।আগামী ৯ আগস্ট ২টি আসনে উপনির্বাচন এবং ফল ঘোষণা।

৪২ বছরে অভিজ্ঞতা রয়েছে জনপরিষেবায় তার। দিল্লি অলিন্দে পরিচিত নাম জহর সরকার। তবে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মুকুল রায়ের নাম ঘোরাঘুরি করছিল। কিন্তু শেষে পর্যন্ত চমক দিয়েই জহর সরকারের নাম ঘোষণা করা হল। তবে আগাগোড়াই তৃণমূলের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে জহর রায়ের।

২০২০ সালের ৩ এপ্রিল রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। ২০১৬ এর ২ এপ্রিল পর্যন্ত তার মেয়াদ ছিল। কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করেন।‌বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে যান এবং যোগ দেন বিজেপিতে। সেই জায়গাতেই এবার জহর সরকারকে পাঠানোর তোড়জোড় শুরু করে দিল তৃণমূল।

জহর সরকার বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেন আমাকে জানান রাজ্যসভার জন্য দলের তরফে আমাকে ভাবা হচ্ছে। জানতে চান আমি প্রস্তাবে রাজি কিনা। একটু ভেবেই বলি কোন আপত্তি নেই। তারপরেই দলে তরফে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়।”

অবসরপ্রাপ্ত এই আইএএস অফিসারের সঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের সম্পর্ক আগাগোড়াই ভালো। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে মমতা সরকারের টানাপোড়নের সময় আলাপনের পক্ষে দাঁড়িয়ে ছিলেন জহর। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব করা নিয়ে তিনি বলেছিলেন, “মোদী-শাহ কি পাগল হয়ে গেছেন?”

জহর সরকারের নাম প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যে তৃণমূল মুখপাত্র কুনাল ঘোষ টুইটারে লেখেন, “রাজ্যসভায় যাচ্ছেন জহর সরকার। একজন কৃতি ছাত্র, দেশের সর্বোচ্চ মহলে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার অন্যতম সেরা অভিজ্ঞ আমলা।একজন রুচিশীল অসাধারন জ্ঞানী, সুপটু লেখক, বাগ্মিকে মনোনয়ন দিল তৃণমূল। দিল্লিতে স্পষ্ট হচ্ছে আগামী বিল্পের পদধ্বনি।”

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here