গোপীবল্লভপুরে তৃণমূলের যোগদান মেলা

অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম, ২২ জুলাই:
২১শে জুলাই এর অনুষ্ঠানে গোপীবল্লভপুর বিধানসভার কুকড়াকুপি, কুলটিকরী, কেন্দুগাড়িতে পতাকা উত্তোলন করেন গোপীবল্লভপুরের বিধায়ক ডাঃ খগেন্দ্রনাথ মাহাত। পাশাপাশি সারা জেলা জুড়েই আজ ২১শে জুলাইয়ের শহিদ দের শ্রদ্ধা জানান দলীয় নেতা, কর্মীরা। সকাল সকাল পতাকা উত্তোলন করেন বিধায়ক সাঁকরাইলের কুকড়াকুপি এলাকায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা দলীয় কার্যালয় খোলা হয় এদিন। বিধায়ক পতাকা উত্তোলন করে ফিতা কেটে কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন। উৎসাহ পান এলাকার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যার সময় কুকড়াকুপি বাজারে থাকা তৃণমূল কর্মীর দু’টো দোকানে বিজেপির লোকজন আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। এদিন সকালে পতাকা উত্তোলন ও কার্যালয় উদ্বোধন করার পর কুকড়াকুপি এলাকার ১০০টি বিজেপি পরিবার বিধায়কের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন বলে তৃণমূলের দাবি। এছাড়াও আগুন লাগানোর দোকানগুলো দেখতে যান বিধায়ক। দোষিদের শাস্তির দাবি জানান ও ক্ষতি পূরণের আশ্বাস দেন বিধায়ক। এছাড়াও রগড়া অঞ্চলের এক বিজেপির সদস্য সহ ৫০০ কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগদেন বলে তৃণমূলের দাবি।

বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া রাজনৈতিক কর্মীরা জানান, পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে তৃণমূল ছেড়েছিলাম। কিন্তু বিধানসভা ভোটের পর নিজের ভুল বুঝতে পেরে ফের পুরোনো দল তৃণমূলে ফিরলাম। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, ভাগবত মান্না, কাঞ্চন মাইতি, পঞ্চানন দাস, বিপ্লব মান্না সহ প্রমুখ।

অন্যদিকে, গোপীবল্লভপুর দু’নম্বর ব্লকের মহাপাল এবং ঝাড়গ্রাম ব্লকের চন্দ্রী, দুধকুন্ডি এলাকায় প্রায় ৪৯ থেকে ৫০ জন নেতা সহ পাঁচ শতাধিক কর্মী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করলেন।

বিধায়ক বলেন, আগামী দিনে এই এলাকায় যারা বিজেপি করেন তাদের বেশির ভাগ তৃণমূলে যোগদান করার জন্য যোগাযোগ শুরু করেছে। যার ফলে আগামী দিনে বিজেপির কোনও অস্তিত্ব থাকবে না বলে তিনি জানান।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here