রাত ৯টায় ৯ মিনিট আলো জ্বালান, মোদীর ৯-য়ের সংখ্যাতত্ত্বের পেছনে কারণ কি

আমাদের ভারত, ৪ এপ্রিল : ঠিক সকাল ন’টায় টিভির পর্দায় মাত্র ৯ মিনিটের ভিডিও। আর সেখান থেকেই বার্তা দেওয়া হল রাত নটার সময় নয় মিনিট ধরে আলো জ্বালাতে হবে। কিন্তু এই এতগুলো নয় কি শুধুই কাকতালীয় একটা বিষয়? নাকি এসব কিছুর মধ্যেই রয়েছে লিংক বা উদ্দেশ্য।

মোদীর এই ৯ সংখ্যা তত্ত্ব নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রায় এক ডজন নয়ের আবিষ্কার হয়েছে মোদীর এই ৯- এর সংখ্যা তত্ত্বতে।

রবিবার রাত ৯টায় টায় আলো নিভিয়ে বাতি জ্বালানোর কথা যখন মোদী বলেন তখন জনতা কারফিউয়ের দিন হাততালি কিংবা জিনিস বাজিয়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের কৃতজ্ঞতা জানানোর মতোই মনে হয়েছিল।

কিন্তু বক্তব্য শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর থেকে নয়ের তত্ত্ব বেড়িয়ে আসতে শুরু করে। ৯ এর তত্ত্বে গণিত তত্ত্ব উঠে এসেছে। বলা হচ্ছে, প্রদীপ, টর্চ, মোমবাতি জ্বালানোর দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে ৫ এপ্রিলকে। আর এটি ইংরেজির চতুর্থ মাস। এদিকে ৫ আর ৪ যোগ করলে হয় ৯।
শুক্রবার সকালে যখন মোদী ঘোষণা করেছিলেন, সেটি ছিল লক ডাউনের নবম দিন। ভিডিও বার্তা ছিল ৯ মিনিটের।

আবার পৃথিবীকে মিলিয়ে মহাকাশে নবগ্রহ অর্থাৎ বুধ থেকে শুরু করে প্লুটো পর্যন্ত এই নটি গ্রহের উদ্দেশ্যে বার্তা দিতেই কি এই রাত নটার সময় নয় মিনিট ধরে আলো জ্বালানোর কথা বলেছেন তিনি? নেটিজেনরা বলছেন নটি গ্রহের সম্মিলিত শক্তি দিয়ে পৃথিবীকে বাঁচানোর বার্তা দিতে চেয়েছেন মোদী। ঠিক যেমনভাবে দেবতাদের মিলিত শক্তিতে দেবী চণ্ডী সৃষ্টি হয়েছিল এবং তিনি মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন।

আবার জ্যোতিষবিদ্যা অনুযায়ী রাহু, কেতু, শনি, বুধ, মঙ্গল, বৃহস্পতি, চন্দ্র, সূর্য, শুক্র এই নবগ্রহ শান্তির বার্তা ও থাকতে পারে মোদীর এই আলো নিভিয়ে বাতি জ্বালানোর তত্ত্বে।

এছাড়া ৯ সংখ্যা হচ্ছে মঙ্গলের সংখ্যা। নটার সময় মিনিট, তার মানে মঙ্গলের উপর দ্বিগুণ প্রভাব পড়বে। এতে মানুষের শক্তি বৃদ্ধি পাবে এবং তার উৎসাহ বাড়বে বলে মনে করেন জ্যোতিষীরা। আর তাছাড়া ৫ তারিখ চাঁদ থাকবে সিংহ রাশিতে। সিংহ হচ্ছে সূর্যের রাশি। সূর্য মানে আলো, তাই ঐদিন আলো জ্বালালে চাঁদেরও শক্তি বাড়বে এবং সঙ্গে সঙ্গে তার প্রভাব মানুষের মনের উপর পড়বে এবং তার মন ভালো হবে এবং দেশের শক্তি বৃদ্ধি হবে বলে মত জ্যোতিষীদের।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here