বোনাস, এক্স- গ্ৰাসিয়ার দাবিতে ডিভিসিতে কৰ্মী বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

সোমনাথ বরাট, আমাদের ভারত, বাঁকুড়া, ২৪ সেপ্টেম্বর: বোনাস, এক্স-গ্রাসিয়ার দাবিতে ডিভিসি কর্মী ইউনিয়ন গুলির যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে শুক্রবার মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিদ্যুৎ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয় এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ারের (প্রকল্প প্রধান) হাতে ৫০ হাজার টাকা এক্স-গ্রাসিয়া দেওয়ার দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এই মঞ্চে তৃণমূল সংগঠন ছাড়া সিআইটিইউ, আইএনটিইউসি, ইউটিইউসি, বিএমএসের মত সমস্ত কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি যুক্ত রয়েছে।

সিটু পরিচালিত ডিভিসি শ্রমিক ইউনিয়নের মেজিয়া ইউনিটের সম্পাদক সুমন গোস্বামী, আইএনটিইউসি অনুমোদিত ডিভিসি কর্মচারী সংঘের সম্পাদক অরিন্দম ব্যানার্জি, ইউটিউসি পরিচালিত ডিভিসি স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সঞ্জিত সাহা এবং বিএমএসেএর সম্পাদক হারাধন মাজি জানান, ডিভিসি তাদের কর্মী ও আধিকারিকদের বোনাস দেয় না। এই সংস্থার চেয়ারম্যান থেকে চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের একই অঙ্কের এক্স-গ্রাসিয়া দেওয়া হয়। গত বছর ডিভিসি মাত্র ১০০ কোটি টাকা লাভ করেছিল। তাতে প্রত্যেক কর্মী ও আধিকারিককে ২০ হাজার টাকা করে এক্স-গ্রাসিয়া দিয়েছিল। এর আগে কয়েক বছর ডিভিসি লোকসানে চলায় বোনাস বা এক্স-গ্রাসিয়া দেয়নি আমরা ও সংস্থার অবস্থা বুঝে আন্দোলন বা জোরালো দাবি করেনি।
এবার ফাস্ট কোয়ার্টারেই ডিভিসি ৩১০ কোটি টাকা লাভ করেছে। পাশাপাশি কোভিডের কারণে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ মত ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত ডিএ বা মহার্ঘ্য ভাতা ফ্রিজ করে রেখেছিল। এই ১৮ মাসের ডিএ বকেয়া ডিএ বাবদ একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর নূন্যতম ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা সংস্থার ঘরে জমা রয়েছে। আমরা এখনই এরিয়ার দাবি করছি না, ওই জমা টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা করে প্রত্যেক কর্মী ও আধিকারিককে এক্স-গ্রাসিয়া দেওয়ার আবেদন জানিয়েছি।

এ প্রসঙ্গে চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্রকল্প প্রধান) সঞ্জয়কুমার ঘোষ বলেন, বিষয়টি পলিসি মেকিং-এর। বিষয়টি আমার এক্তিয়ারের বাইরে। তবে বিষয়টি যাতে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করা হয় তার জন্য ডিভিসির কলকাতার সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপিটি পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here