বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুৎসা রটানোর অভিযোগ তৃণমূলের কর্মীদের বিরুদ্ধে

শ্রীরূপা চক্রবর্তী, আমাদের ভারত, ১৬ মে :
এর আগে একাধিক বার সুকান্তবাবুকে তাঁর এলাকায় মানুষের কাছে যেতে বাধা দেওয়া, ত্রাণের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে। ত্রাণ বিলি করে ফেরার পথে পুলিশ তাঁকে আটকালে রাস্তায় বসে প্রতিবাদ করতেও দেখা গেছে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে। কিন্তু এবার বিজেপির এই সাংসদের বিরুদ্ধে রীতিমতো গণ পরিকল্পনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার ও কুৎসা রটনার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। সাংসদ এব্যাপারে তৃণমূলের ৬ জন কর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশের লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।


উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবেই বেশকিছুদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মূলত ফেসবুকে বিজেপির সাংসদ সুকান্ত মজুমদার সম্পর্কে অপপ্রচার করছেন। এমনকি তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি নিয়েও কুৎসা করতে পিছপা হননি অভিযুক্তরা। উভয়ের ছবিকেই বিকৃত করা হয়েছে বহু পোস্টে। গণ পরিকল্পনা করে বিজেপির এই সাংসদের ছবি ব্যবহার করে কুৎসা রটানো হয়েছে ফেসবুকে। এর প্রতিবাদ জানিয়ে, শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃনমূল কংগ্রেসের ৬ জন কর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বালুরঘাটের বিজেপির সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। যাদের বিরুদ্ধে পুলিশে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন সাংসদ তারা হল, সৃঞ্জয় সান্যাল, সুরোজ সাহা, জয়ন্ত হালদার,সাগর সিং, আকাল হালদার, গোপেন সরকার। এরা সকলেই তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী বলে দাবি করেছেন সুকান্ত মজুমদার।

দলীয় কর্মীদের মাধ্যমেই এই বিষয়টি প্রথমে নজরে আসে বিজেপির সাংসদের। প্রথমটায় বিষয়টিকে কম বয়সী ছেলেদের ছোটো ভুল মনে করলেও দিন প্রতিদিন এই কুৎসা ও অপপ্রচারের পরিমাণ বেড়েই চলেছিল। এতে বিজেপি সাংসদের সামাজিক সম্মানহানিও হয়েছে। পুরো ঘটনাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়েই করা হয়েছে বলে অভিযোগ সুকান্ত মজুমদারের। তার কথায়, “রাজ্যের এই অস্তগামী সরকার এখন নোংরা খেলায় মেতেছে। তাই দলের কর্মীদের দিয়ে তার সম্পর্কে কুৎসা রটানোর খেলা খেলছে তারা।”

আপনাদের মতামত জানান

Please enter your comment!
Please enter your name here